পাবনার গয়েশপুর ইউনিয়ন এর মৃত মির্জা আমজাদ হোসেনের চার বিয়া। চার বিয়ার এক বউ বারো ভাতারী তারই জারজ ছেলে লম্পট প্রতারক মির্জা রানা
গয়েশপুর গ্রামে ছেড়া কাথায় শুয়ে প্রতারণা করে ৩৩ লাখ টাকা কামানের স্বপ্ন দেখলো। সেই ভিখারি রানার লুচ্চু লুচ্চু পকেটে একদিন আকাশ থেকে ঝরে পড়লো ৩৩ লাখ টাকা। পাবনার সকল চান্দাবাজেরা ঠিক করলো ওরা এই ভিখারীর প্রতারণা করা টাকা থেকে চান্দা আদায় করবেনা। ওরা মহান। একজন ধর্ষক অন্য একজন ধর্ষকের থেকে চান্দা নেয়না। আদোর করে। প্রতারকে প্রতারকে ভাই ভাই। সেজন্যই প্রতারক মির্জা রানা পাবনার প্রতারক চোর বাটপারদের মাঝে সমাদৃত লুচ্চা । আগে সে ভিখারি ছিল। টুকটাক গ্রাফিক ডিজাইনের কাজ করে আর বোনের বাসাতে খেয়ে আর এর ওর কাছ থেকে টাকা ধাঁর করে চলতো। একদিন ফেসবুকের মাধ্যমে সেই স্বপ্ন পূরণ হয়।
পরীক্ষার ফি । বাইক কেনা । আতাইকুলা রোডের জমিতে বাড়ি করা । কোভিডে কস্ট পাওয়া গ্রামের মানুষের নামে টাকা নিয়ে ফ্রিজ, আসবাব, কম্পুউটার, পাতিল বাসন ঘটি বাটি মাইক্রোওয়েভ সব কেনা হলো।দামি মোবাইল, আইপ্যাড তারপর সে টাকা নেয় এতিমখানাতে ইউপিএস মেসশিন কেনার নামে এতিমদের জন্য উঠান পাক করা, অজুর জাগা, তার উপর ছাউনি, রান্নাঘর পাক করার জন্য। তারপর সে টাকা নেয় ভারতে যেয়ে চিকিতৎসার নামে ;এতিম খানা মেরামতের কাজ করেচছে বলে ভুয়া রশিদ পাঠায় আমাকে। পরে সভাপতি মির্জা আলমের কাঁছ থেকে জানা যায় এতিম খানা মেরামতের কাজ করেছে অন্য লোকে।সেই ছবি উঠিয়ে নিজের বলে চালিয়ে দিয়েছে মির্জা রানা। মসজিদের ইউপিএস মেশিনের ছবি উঠিয়ে সে নিজে কিনেচছে বলে চালিয়ে দিয়েছে সাথে ভুয়া রশিদ পাঠিয়েছে। সে একজন চরিত্রহীন বাটপার, প্রতারক, লুচ্চা, চোর এবং মিথ্যুক প্রগতিশীল পুরুষ পতিতা।
বাড়ি করার পরে সে একটি মেয়েকে বিয়ে করে। মেয়েটিকে সে ধর্ষন করে। এক মাসের ভেতর মেয়েটি মারা যায়। তারপর অধ্যাপক সুমন সামসের স্ত্রী কানিজ ফাতিমার বান্ধবী রাজশাহীর সা্রা ফারজানাকে স্বপ্নে পাওয়া টাকাতে করা আতাইকুলা রোডের বাসাতে নিয়া আসে তাকেও দৈহিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করার ফলে মেয়েটি রানাকে ত্যাগ করে। তারপর পার্বত্য চট্রগ্রামের রুমা নামের একটি মেয়ের সাথে দৈহিক সম্পর্ক করে। মেয়েটি দুইবার পাবনা এসে থেকে গেছে। এই মেয়ে ও তার বান্ধবীদের নিয়ে সুনামগঞ্জ হাওড়ে ও কক্সবাজার বেড়াতে যাবার জন্যই এতিমকখানার নামে টাকা নেয় সে। দার্জিলিং এ মেয়ে নিয়ে ফুর্তি করার জন্য সে মিথ্যা অসুখের গল্প বানিয়ে টাকা নেয়। এখন সে ইংলিশের অধ্যপককে বিয়ে করার স্বপ্ন দেখছে। শেলীর স্বামী মারা যাবার সময় বাড়ি রেখে যায়। অধ্যপনা করে শেলী রোজগার করে। পুরুষ পতিতার সাথে ইংরেজী অধ্যাপকের বিয়ে হলে দুই লম্পটের মিলনে পাবনাতে লম্পটের বাম্পার ফলন হলেও এই প্রতারকের প্রতারণা ও লুচ্চামী করা বন্ধ হবেনা । জারজে কবরে গেলেও জাউরামি করবে।
">