D'PhotoCafe বেশ্যা দ্বারা পরিচালিত বেশ্যা দ্বারা পরিবেষ্টিত একটি বেশ্যালয়। এই ডিফোটোকাফের ব্যানারে বেশ্যা প্রতারক ধোঁকাবাজ ধান্দাবাজ মিথ্যুক শরীফ খান তার পতিতা বন্ধুদের নিয়ে ধান্দাবাজী ব্যবসা ফাঁদছে। D'PhotoCafe একটি ফ্রড বা প্রতারকের আস্তানা

D'PhotoCafe হইতে সাবধান!!!!!!

এই মর্ম সবাইকে সাবধান করা যাচ্ছে। শরীফ খান থেকে দুরে থাকুন
Srf Khan শরীফ খান একজন ধান্দাবাজ মিথ্যুক প্রতারক। ইনবক্সে গান আর কবিতা আবৃতির অডিও ক্লিপ পাঠিয়ে শরীফ খান বিভিন্ন বয়সের মহিলাদের সাথে আলাপ করে তারপর নিজের দারিদ্রতার গল্প ফাঁদে তারপর ঋন হিসাবে টাকা চায়। সে বলে যে জুরাইনে তার পৈত্রিক ভিটা বাড়ী বিক্রি করে সবাইকে তার ঋন পরিশোধ করে দিবে। সে আরো বলে যে তার বাবা আর্মী অফিসার ছিলেন। অনেক সম্পত্তির মালিক ছিলেন কিন্ত দশ বছর ক্যান্সারে ভুগে ক্যান্সারের চিকিৎসা করাতেই তাদের সকল সম্পত্তি বিক্রি হয়ে যায় পরে তার বাবার স্ট্রোক করে এবং সাভারের রাস্তায় ভিক্ষা করতো। শরীফ খানের বাবার দেশ মুন্সিগঞ্জে মায়ের দেশ মানিকগঞ্জে। শরীফ খানের ভাই আরীফ খান একজন ছিনতাইকারী। শরীফ খানের মামা রব টিটো এবং শাহজাহান সাভারে ইয়াবা বিক্রি করে। শরীফ খান আগে ফিরোজ কবীর নামের আওয়ামীলীগের এক গুন্ডার সহকারী হিসাবে কাজ করতো। ফিরোজ কবীরের দোকান সাভারের রানা প্লাজাতে সে কাজ করতো । ফিরোজ কবীরের রানা প্লাজার দোকান সে নিজের দোকান বলে দাবী করে নানা মানুষের থেকে টাকা নেয়। রানা প্লাজা ধ্বসে গেলেও ফিরোজ কবীরের দোকানের দিকের কিছু অংশ অক্ষত থাকে তখন শরীফ খান দোকানের সব মালপত্র সরিয়ে ফ্যালে রানা প্লাজা ডেমোলিশ করার আগেই। রানা প্লাজার এই দোকান ভেঙ্গে যাবার গল্প বলেও নানা মানুষের কাছ থেকে শরীফ খান ঋন নেয়। সে বলে বাজারে তার অনেক ঋন, যদি সে কারু কাছ থেকে পূঁজি পেতো তাহলে ব্যবসা করে সব ঋন পরিশোধ করে দিতো। এভাবেই সে ঋন করে এবং নানা রকমের অজুহাত দেখিয়ে তা পরিশোধ করেনা।

বিভিন্ন মহিলাদের থেকে নানা কথা বলে টাকা নিয়ে সে সাভার সিটি সেন্টারে দোকান দেয়, এই দোকান দেখিয়ে বহু টাকা ঋন নিয়ে তারপর সে দোকানটা বন্ধ করে দেয়। শরীফ খান অলস, ইয়াবাখোড় এবং ভবঘুরে। সব সময় তার বাসা ভাড়া বাকী থাকে, মুদি দোকানে বাকী থাকে, বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন মেয়েদের থেকে টাকা নিয়ে সে এইসব ধার পরিশোধ করে অথবা করেনা । ঋনদাতারা টাকা ফেরত চাইলে তাদের চরিত্র খারাপ বলে প্রচার শুরু করে। শরীফ খান এই কারনেই ছেলেদের থেকে ঋন না নিয়ে মেয়েদের থেকে ঋন নেয়। ঋণের টাকা ফেরত চাইলেই চরিত্রের উপরে আক্রমণ করে ফলে ঋণদাত্রী মুখ বন্ধ করে রাখে। এইভাবেই চলছে শরীফ খান ও তার পরিবারের প্রতারণা, মিথ্যাচারের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ।

সংগীত শিল্পী মেহরিনের সাথে ঘুরাঘুরি করে শরীফ খান তার অতীতের বস্তিতে থাকার ক্ষুধার্ত দারিদ্র জীবন, ফিরোজ কবীরের গুন্ডা হিসাবে ইয়াবা চালান, বিভিন্ন মানুষের জমি দখল, ভিক্ষুক বাবার স্মৃতি, ছিনতাইকারী ভাইয়ের পুলিশ রেকর্ড, মামাদের ইয়াবা ব্যবসা ঢেকে রাখতে চায়। ডিফোটকাফে d�PhotoCafe ও শরীফ খানের অপরাধ ঢাকার আর একটি ঢাকনা।

বাংলাদেশে অবস্থান করছেন যারা তাদের অনেকেই শরীফ খানকে টাকা ঋণ দিয়েছেন কিন্তু মান সন্মানের ভয়ে ঋণ ফেরত চাইতে পারছেন না। বিভিন্ন সময়ে আমি শরীফ খানকে যে ঋণ দিয়েছি তার বিস্তারিত হিসাব এই সাইটে ক্লিক করলে পাওয়া যাবে।

বাংলাদেশের সমাজে শরীফ খান প্রতিষ্টিত হতে চায় , ভাল কথা কিন্তু বিভিন্ন মানুষের পরিশ্রমের টাকা মেরে দিয়ে ঋণদাতাদের সম্পর্কে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাদের সবার মুখ বন্ধ করতে পারলেও আমার মুখ বন্ধ করতে পারবেনা।

যারা ফটোগ্রাফী পছন্দ করেন আমি তাদের সবাইকে বলতে চাই � শরীফ খান একজন অপরাধী। কেউ তাকে ভুল করেও বিশ্বাস করবেন না। শরীফ খান একজন মিথ্যুক, প্রতারক, খবিস শয়তান।

যারা ফটোগ্রাফী পছন্দ করেন আমি তাদের সবাইকে বলতে চাই � শরীফ খান একজন অপরাধী। কেউ তাকে ভুল করেও বিশ্বাস করবেন না। শরীফ খান একজন মিথ্যুক, প্রতারক, খবিস শয়তান।