প্রতারক আনোয়ার পারভেজ টাকা মারার জন্য ভুয়া বিয়ে করেছিল

প্রতারক আনোয়ার পারভেজ টাকা মারার জন্য ভুয়া বিয়ে করেছিল প্রবাসী কানাডিয়ান মহিলার সাথে। তারপর মহিলার টাকা মেরে দিয়ে এখন প্রতারক আনোয়ার পারভেজ বাংলাদেশ থেকে বিদেশে ছাত্র ও শ্রমিক পাঠায় । প্রতারক আনোয়ার পারভেজের টার্গেট হলো বিয়ার জন্য তালাকপ্রাপ্তা বয়স্কা মহিলা আর বিদেশে শ্রমিক ও ছাত্র পাঠানোর জন্য গ্রামের বেকার যুবক। এইসব ছেলেদেরকে বাটপার বাপ ইসলামাবাদ ইউনিয়ণের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আলমের নাম বললেই এরা সহজেই বিশ্বাস করবে প্রতারক আনোয়ার পারভেজকে। তারপর বিদেশে যাবার জন্য অগ্রিম টাকা দেওয়া হয়ে গেলেই প্রতারক আণোয়ার পারভেজ তার ফোনের সীম কার্ড বদল করে ফ্যালে। প্রতারক আনোয়ার পারভেজ ফেসবুকে ভুয়া আইডির মাধ্যমে বিভিন্ন ছেলেমেয়েদের বিভিন্ন ভাবে প্রতারণা করে ।
প্রতারক আনোয়ার পারভেজের বড় ভাই ওমর পারভেজ একজন ভূমি প্রতারক। অমর পারভেজ কক্সবাজারের বহু মানুষের টাকা মেরে দিয়েছে বহুতল ভবণ বানিয়ে ফ্লাট বিক্রি করে মুনাফা করে মুনাফার অংশ অংশীদারদের ভেতরে বিতরন করবে বলে এইসব পাওয়ানাদারদের আশ্বাস দিয়েই টাকা মেরে দেয়। ২০১১ সালে প্রতারক আনোয়ার পারভেজ আর প্রতারক ওমর পারভেজ কক্সবাজারের বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা মেরে উধাও হয়ে যায়। পাওনাদারেরা ওদের বাপ বাটপার জাফর আলমের কাছে টাকা চাইতে এলে জাফর আলম বলে যে ছেলেদের সাথে তার যোগাযোগ নাই।
প্রতিদিন জাফর আলমের সাথে তার দুই ছেলের কথা হয় । জাফর আলমের ছেলেদের প্রতারণার উপার্জণের টাকার দেখাশোনা করে। জাফর আলম নিজেও একজন বাটপার। গতবছর কক্সবাজারের এক চোরকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। জাফর আলম তার পাওনাদারদের এই হত্যার আসামী বানিয়ে নিহত চোরের বউকে দিয়ে পাওনাদারদের বিরুদ্ধে মামলা করে সম্পুর্ন নিরীহ মানুষদের হাজতে পাঠায়। হাজতে পাঠীয়েই জাফর আলম ক্ষান্ত হয়না। এইসব পাওনাদারদের কাছে থেকে টাকা আদায় করে তাদের বিরুদ্ধে আনিত হত্যার অভিযোগ উঠীয়ে নেওয়া হবে এই প্রতিশ্রুতি দিয়ে।
এইভাবে বাটপার জাফর আলম কক্সবাজারের নিরীহ মানুষদের খুনের আসামী বানিয়ে ২৫ লাখ টাকা মেরে দেয় ।
এই হলো প্রতারক আনোয়ার পারভেজের পরিবার।