নানা নামে নানা মানুষের ছবি দিয়ে ফেসবুকে অনেক ভুয়া আইডি বানিয়ে প্রতারণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রতারক মাদারচৌদ আনোয়ার পারভেজ
ভাগ্যের
নির্মম পরিহাস । আনোয়ার পারভেজকে দালালেরা ঠগায় । আর আনোয়ার পারভেজ মহিলাদের ঠগায়। বিশাল হাতীর মত শরীরের ভেতরে আনোয়ার পারভেজের মন আছে কি নেই জানা যায়না যদিও থাকে তা অনেক ক্ষুদ্র যা নাকি মাইক্রোসকোপ দিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবেনা। সাড়ে ছয় বছরে বিলাতে সে দুই তিনটা অড জব করে যা কামাই করেছে তা দিয়ে দেশে জমি কিনেছে আর আমার কাছ থেকে যে টাকা মেরেছে তা দিয়ে বাকী ১৫ মাস চলেছে, দেশে ফিরে আসার প্লেন ভাড়া বাবদ খরচা করেছে বাকী টাকা আর একটা বিয়ার কাবিনের টাকা হিসাবে ব্যবহার করেছে। সাড়ে ছয় বছর ছাত্র হিসাবে বিলাতে থেকে সে কিছু ভুয়া সার্টিফিকেট দালালদের কাছ থেকে কিনে এনেছে। যেহেতু দালালরাও বাংলাদেশী তাই বিলাতে সার্টিফিকেট বিক্রি হয় এটা বাংলাদেশের সব ব্যবসায়ের মালিকেরাই জানে ফলে এরা কেউ বিলাত ফেরত ছাত্রদের চাকুরী দিতে চায়না।
বৃটিশ বর্ডার এজেন্সী সর্ব মোট ৭০০ কলেজের " বিদেশ থেকে ছাত্র আনার লাইসেন্স" সাসপেন্ড করেছে । বাংলাদেশে ফিরে এসেও আনোয়ার পারভেজ রুবেল কাজ খুঁজে পায়নি। বিভিন্ন জাগাতে সে চেষ্টা করেছে। আমার টাকাতে সে পুরা ১৫ মাস বেশ আরামে শুয়ে বসে খেয়ে থেকেছে । শুয়ে শুয়ে ফেসবুকে মাগিবাজি করেছে । কাচকুরাতে মাগী নিয়ে নৌকা ভ্রমণ করেছে। অনেক আমোদ ফূর্তি করেছে ব্যাচেলর সেজে আমার টাকায়। আর স্কাইপিতে বসে আমাকে গালি দিয়েছে ।
আমার তো ঋন করা টাকা ছিল । বসে খেলে রাজার ভান্ডারও ফুরিয়ে যায়।
এখন সে কি করে? সেদিন পত্রিকাতে যে পুরা পাঁচ পৃষ্টার দুর্গন্ধযুক্ত চাপাবাজী লিখল সেটাই সে করে বেড়ায়।
কারু কাছে বলে সে বিদেশে লোক পাঠায়,
কারু কাছে বলে সে একজন আইনজীবী,
কারু কাছে বলে সে একজন এমবিএ,
কারু কাছে বলে সে বাপের ব্যবসার দেখাশোনা করে,
কারু কাছে বলে সে ইনসুরেন্স কোম্পানীর মালিক
কারু কাছে বলে সে ব্যাচেলর
কারু কাছে বলে সে ম্যারিড ইত্যাদি।
এই প্রতারক পরিবারের সবার উদ্দেশ্য একটাই
"প্রতারণার মাধ্যমে কম পরিশ্রমে রাতারাতি ধণী হওয়া "
প্রতারণা করার জন্য এরা কাদের বেছে নেয় ? যারা দুর্বল । নারীদের বিশেষত। বয়স্কা নারী, নিঃসঙ্গ, অতীতে দুঃখ পেয়েছে, যাকে আরও আঘাত করলে বা টাকা মেরে নিয়ে পালিয়ে গেলে ভেঙ্গে পড়বে, ভাল মানুষ মহিলা, যারা উদার, সহজেই বিশ্বাস করে, তাদের খুব সহজেই কনভিন্স করার জন্য আনোয়ার পারভেজ খুব দুঃখি মানুষ সেজে যায়। তার জীবনের ব্যর্থতার গল্প শোনায় । জীবনে সে অনেককিছু করতে চায়, তার বাপের স্বপ্ন পূরণ করতে চায়, কক্সবাজারের দশ হাজার মানুষ না খেয়ে অপেক্ষা করছে আনোয়ার পারভেজের জন্য, কবে আনোয়ার পারভেজ বারিস্টার হয়ে আসবে, এসে কক্সবাজারের দশ হাজার মানুষের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়ে দিবে । আনোয়ার পারভেজ রাজনীতি করতে চায়, বারিস্টার হতে চায়, দেশ সেবা করতে চায়, এইসব তার স্বপ্ন। সামান্য ১০,০০০ পাউন্ডের লোভ যে সামলাতে পারেনি সে যখন ক্ষমতায় যাবে তখন পুরা ইসলামাবাদ ইউনিয়ন বিক্রি করে দিয়ে ওর মাসহ এই এলাকার সব মহিলাদের বেশ্যা ও সব পুরুষদের ভিক্ষুক বানায় দিবে তাতে কোন সন্দেহ নাই।
আমার কাছে বলেছে সে একজন ভিখারী। ভিখারিদের প্রতি আমার দয়ার কারনেই ভাবলাম এই ভিখারীকে কিছু খয়রাত দিলে হয়তো জীবনে আর তাকে ভিক্ষা করে খেতে হবেনা। জীবনে নিজের পায়ে দাড়াতে পারবে, প্রতিষ্টিত হতে পারবে। টাকা মেরে দিয়ে উলটা আমাকেই নোংরা কথা বলা শুরু করে দিলো । কোন প্রতিষ্টানেই অসৎ লোকের চাকুরী থাকেনা। আনোয়ার পারভেজের বাপ কক্সবাজারের জাফর আলমও চাকুরী হারিয়েছিল টাকা চুরি করার অভিযোগে। দাউদ কোম্পানী থেকে মানুষের টাকা চুরি করে বহুদিন দেশের বাইরে পালিয়ে ছিল জাফর আলম।
আনোয়ার পারভেজের ভাই ওমর পারভেজও কক্সবাজারের মানুষের টাকা মেরে এখন পলাতক।
আনোয়ার পারভেজও বাপ ভাইয়ের মত গা ঢাকা দিয়ে থাকবে কিছুদিন। সবাই যখন ভুলে যাবে তখন আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠবে। এখন ওরা সবাই আন্ডার গ্রাউন্ডে প্রতারণা করে বেড়াচ্ছে ।
আজ আমি প্রতারিত হয়ে যদি চুপচাপ বসে থাকি তাহলে বাংলাদেশে বা প্রবাসে আমার মত যেকোন বাংলাদেশীকে আনোয়ার পারভেজ রুবেলের প্রতারণার শিকার হতে হবে। এই প্রতারক এখন বাংলাদেশে থাকে, ফেসবুকে সে বিভিন্ন বয়স আর নানা মানুষের ছবি দিয়ে অনেক প্রফাইল তৈরি করেছে। বিভিন্ন নাম ও ছবির পেছনে লুকিয়ে প্রতারক আনোয়ার পারভেজ তার প্রতারণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।